মির্জাগঞ্জে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে পা'ল্টাপা'ল্টি কমিটি অনুমোদন
মির্জাগঞ্জে ছাত্রদলের দুই গ্রুপে পা'ল্টাপা'ল্টি কমিটি অনুমোদন
ডি কে মিন্টু, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি:
মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলে নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে এসেছে। উপজেলার ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি নিয়ে উপজেলা ছাত্রদলের দুইটি পক্ষ পৃথকভাবে অনুমোদন দিয়েছে। এতে তৃণমূল নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এক পক্ষ উপজেলার ৩, ৪, ৫ ও ৬ নং ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি এবং অন্য পক্ষ ১, ৩, ৪, ৫ ও ৬ নং ইউনিয়ন ছাত্রদলের আংশিক কমিটি অনুমোদন দিয়েছে।
সোমবার ১৭ আগস্ট প্রকাশিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে, এক পক্ষের কমিটিতে স্বাক্ষর করেছেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবুল বাশার মোকলেছ এবং সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধা। অন্য পক্ষের কমিটিতে স্বাক্ষর করেছেন উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজিব হোসেন এবং সহসভাপতি রবিউল ইসলামসহ উপজেলা ছাত্রদলের ৭ নেতা। উভয় পক্ষই দাবি করছে তারাই বৈধভাবে কমিটি অনুমোদন দিয়েছে। পৃথক পৃথক তালিকা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে ইউনিয়ন পর্যায়ের কর্মীরা কাকে অনুসরণ করবে তা নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন। একই ইউনিয়নের জন্য পৃথক কমিটি অনুমোদনের খবরে স্থানীয় ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। অনেকেই বলছেন, এ ধরনের পাল্টাপাল্টি কমিটির কারণে মাঠ পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হবে এবং নেতাকর্মীদের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হবে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন নেতাকর্মী বলেন, ‘একই ইউনিয়নে দুইটি কমিটি হলে সাংগঠনিক কার্যক্রম চালানো কঠিন হয়ে পড়বে। জেলা থেকে দ্রুত সমাধান না এলে সামনে আরও বিভেদ বাড়বে।’ এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাজমুল মৃধা বলেন, ‘সাংগঠনিক নিয়ম মেনেই আমরা কমিটি অনুমোদন দিয়েছি। দলের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।’ অন্য পক্ষ উপজেলা ছাত্রদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি রাজিব হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।
মির্জাগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের এ দ্বৈত কমিটি নিয়ে জেলা ছাত্রদলের শীর্ষ নেতারা এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেননি। তবে দ্রুত বিষয়টি নিষ্পত্তি না হলে উপজেলায় সাংগঠনিক স্থবিরতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা করছেন সাধারণ নেতাকর্মীরা।
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স